শিরোনামঃ
Loading...

মুক্ত আইটি এর পক্ষ থেকে সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা । মুক্ত আইটি থেকে আপনারা কি ধরণের টিউটোরিয়াল প্রত্যাশা করেন অথবা কোনো বিষয়ে অভিযোগ, পরামর্শ,মতামত করার থাকলে মুক্ত আইটি এর ফ্যান পেজে মেসেজ দিন

Play store ছাড়াই এন্ড্রয়েড Apps নামান 9Apps এর মাধ্যমে

Play store ছাড়াই এন্ড্রয়েড Apps নামান 9Apps এর মাধ্যমে
Hello ,সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি । আশা করি আপনারা ও ভালো আছেন । আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে Play store ছাড়াই এন্ড্রয়েড Apps নামানো যায় 9Apps এর মাধ্যমে


Play store ছাড়াই এন্ড্রয়েড Apps নামান 9Apps এর মাধ্যমে




Play store ছাড়াই এন্ড্রয়েড Apps নামান 9Apps এর মাধ্যমে

please share this post 


কোনো সফটওয়্যার বা কোনো ওয়েবসাইট ছাড়াই ডেস্কটপ থেকে সরাসরি ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোড করে নিন

কোনো সফটওয়্যার বা কোনো ওয়েবসাইট ছাড়াই ডেস্কটপ থেকে সরাসরি ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোড করে নিন
কোনো সফটওয়্যার বা কোনো ওয়েবসাইট ছাড়াই ডেস্কটপ থেকে সরাসরি ফেসবুকের ভিডিও ডাউনলোড করে নিনHello ,সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি । আশা করি আপনারা ও ভালো আছেন । আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে আপনারা কোনো সফটওয়্যার বা ওয়েবসাইটের সাহায্য ছাড়াই ফেসবুক থেকে যেকোন ভিডিও ডাউনলোড করবেন।

প্রথমেই আপনি আপনার ফেসবুক একাউন্টে লগিন করুন। তারপর সেখান থেকে আপনি আপনার যেই ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান, সেই ভিডিওটি যেই পোস্টে রয়েছে, সেই পোস্টের উপর ক্লিক করুন। এতে ওই পোস্টটি আপনার সামনে বেশ বড় করে আসবে। এবার আপনি আপনার ব্রাউজারর উপরের অ্যাড্রেস বারের ওই পোস্টের লিংকের মধ্যে খানিকটা কারসাজি করুন আর তা হলো ওই লিংকের "www" লেখাটি মুছে দিয়ে সেখানে শুধুমাত্র "m" লিখুন। এতে করে আপনার ব্রাউজারে ওই পোস্টটির মোবাইল ভার্সন দেখাবে। এবার আপনি একটু কষ্ট করে ওই ভিডিওর নিচের বারের দিকে লক্ষ করুন। দেখবেন একটি ডাউনলোড বাটন দেখাচ্ছে। এবার সেখানে ক্লিক করুন। দেখবেন ভিডিওটি ডাউনলোড হওয়া শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের সুবিধার্থে আমি নিচে এর স্ক্রীনশট সমূহ একবারে দিয়ে দিচ্ছি।
যেই ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান, সেই ভিডিওটি যেই পোস্টে রয়েছে, সেই পোস্টের উপর ক্লিক করুন। এতে ওই পোস্টটি আপনার সামনে বেশ বড় করে আসবে।

আপনার ব্রাউজারর উপরের অ্যাড্রেস বারের ওই পোস্টের লিংকের মধ্যে খানিকটা কারসাজি করুন আর তা হলো ওই লিংকের "www" লেখাটি মুছে দিয়ে সেখানে শুধুমাত্র "m" লিখুন। এতে করে আপনার ব্রাউজারে ওই পোস্টটির মোবাইল ভার্সন দেখাবে।

ওই ভিডিওর নিচের বারের দিকে লক্ষ করুন। দেখবেন একটি ডাউনলোড বাটন দেখাচ্ছে। এবার সেখানে ক্লিক করুন। দেখবেন ভিডিওটি ডাউনলোড হওয়া শুরু হয়ে গেছে।

এই রকম আর কি টিউটোরিয়াল প্রত্যাশা করেন তা কমেন্ট করে জানান । আপনারা যদি লেখা পাঠাতে চান তাহলে আমাদের এই ঠিকানায় আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন bdboyabdullah24@gmail.com

নিচের টিউটোরিয়াল গুলো লক্ষ্য করুন কাজে লাগতে পারেঃ


      আজকের টিউটোরিয়াল এখানেই সমাপ্ত । টিউটোরিয়ালটি ভালো লাগলে ফেসবুক ,টুইটার,গুগল প্লাসে মাস্ট শেয়ার করবেন । আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে ফেসবুকে নক দিন

      Crak সহ ডাউনলোড করে নিন AVS Video Editor

      Crak সহ ডাউনলোড করে নিন AVS Video Editor

      Crakc সহ ডাউনলোড করে নিন AVS Video EditorHello ,সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি । আশা করি আপনারা ও ভালো আছেন । আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে আপনারা বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় ভিডিও এডিটর AVS ক্র্যাকসহ ডাউনলোড করবেন।

      প্রথমেই বলে নিই আপনারা AVS Video Editor টাই কেন ব্যবহার করবেন? আসলে AVS Video Editor দিয়ে আপনি বেশ সুন্দর করে যেকোন ভিডিও এডিট করতে পারবেন। এখানে রয়েছে হলিউড ইফেক্ট, প্রায় সব ধরনের ভিডিও ফরম্যাটই এখানে সাপোর্ট করে। আর তাছাড়া এর মাধ্যমে এডিটিং করতেও বেশ সহজ। এই ভিডিও এডিটরটি ব্যবহার করে ভিডিও এডিট করে অত্যন্ত আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে এই ভিডিও এডিটরটি ডাউনলোড করে নেই।

      প্রথমেই AVS Video Editor এর অরিজিনাল ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। AVS Video Editor এর অরিজিনাল ফাইলটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। এরপর ক্র্যাক সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করার পালা। ক্র্যাক সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে প্রথমেই এখানে ক্লিক করুন।

      এবার আপনার কম্পিউটারে প্রথমেই AVS Video Editor টি স্বাভাবিকভাবে ইন্সটল করে নিন। তবে হ্যা মনে রাখবেন ইন্সটল হওয়ার একদম শেষে একটা অপশন দেখাবে প্রোগ্রামটি Launch করার জন্য। আপনি সেখানকার টিক চিহ্নটি তুলে দিবেন এবং  মনের ভুলেও AVS Video Editor টি ওপেন করবেন না।

      এরপর আপনার কম্পিউটারের ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে দিন। এরপর C:\Program Files (x86)\AVS4YOU\AVSVideoEditor যান। এরপর ডাউনলোড করা একটিভেটরটা সেখানে নিয়ে পেস্ট করুন। এসময় কিছু ডায়ালগ বক্স ওপেন হতে পারে। আপনি সেগুলো খুব একটা খেয়াল করবেন না। শুধুমাত্র Continue দিয়ে যাবেন। অতঃপর যখন ক্র্যাকটি সেখানে পেস্ট হয়ে যাবে। অতঃপর ক্র্যাক ফাইলটি ওপেন করুন। এবার ক্র্যাকটি ওপেন হলে উপরের স্ট্যাটাস বারটি ছাড়া ক্র্যাকের উপরের দিকের যেকোন একটা জায়গায় একটা ক্লিক করুন। দেখবেন নিচে OK লেখা দেখাচ্ছে। এবার OK তে ক্লিক করুন। এবার ক্র্যাক ফাইলটি বন্ধ করে দিন। অর্থ্যাৎ আপনার AVS Video Editor টি ক্র্যাক করা হয়ে গেছে।  এরপর আপনার কম্পিউটারটিকে একবার রিস্টার্ট দিন। এরপর দেখবেন আপনার AVS Video Editor একদম ভালোভাবে কাজ করছে। এরপরেও যদি কারো কোনো সমস্যা হয়, তাহলে কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন। আপনাদের সুবিধার জন্য আমি একটি ভিডিও লিংক দিয়ে দিচ্ছি। আপনারা চাইলে ভিডিওটি দেখে দেখেও ইন্সটল দিতে পারেন। ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

      বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আপনারা অনেকেই ভাবতে পারেন আমি আমার ভিডিওর ভিউ বাড়ানোর জন্য আপনাদের সাথে আমার ভিডিওর লিংক শেয়ার করেছি। হা হা হা! সত্যি কথা বলতে কি এটা আমার কোনো চ্যানেলই না। সুতরাং এটি আমার চ্যানেলের ভিডিও হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। তাই আপনারা যদি ভিডিওটি দেখেন তাহলেও আমার কোনো লাভ নেই। না দেখলেও আমার কোনো লাভ নেই। লাভ যা হওয়ার তা হবে ওই চ্যানেলের এডমিনের, আমার না। আর ডাউনলোড লিংকে গিয়ে দেখতে পারেন বেশ কিছু অ্যাড দেখাচ্ছে। ভাবতে পারেন এখান থেকে আমার লাভ হচ্ছে। কিন্তু স্যতি কথা বলতে মোটেই তা নয়। বরং এটি আমি যার কাছ থেকে কপি করেছি তার লাভ হচ্ছে। তাই আমার এখান থেকে কোনো লাভই হচ্ছে না। তাই শুধু শুধু আমাকে সন্দেহ করে কোনো লাভ নেই।

       তো যাই হোক, আপনারা যদি এই রকম আর কি টিউটোরিয়াল প্রত্যাশা করেন তা কমেন্ট করে জানান । আপনারা যদি লেখা পাঠাতে চান তাহলে আমাদের এই ঠিকানায় আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন bdboyabdullah24@gmail.com

      নিচের টিউটোরিয়াল গুলো লক্ষ্য করুন কাজে লাগতে পারেঃ
      আজকের টিউটোরিয়াল এখানেই সমাপ্ত । টিউটোরিয়ালটি ভালো লাগলে ফেসবুক ,টুইটার,গুগল প্লাসে মাস্ট শেয়ার করবেন । আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে ফেসবুকে নক দিন

      মুখের কথায় কাজ করবে আপনার ফোন

      মুখের কথায় কাজ করবে আপনার ফোন

      মুখের কথায় কাজ করবে আপনার ফোন


      ধারণাঃ

      এখন আপনার মুখের কথায়ই কাজ করবে আপনার ফোন । আপনার এন্ড্রয়েড ফোনকে এবার মুখের কথায় কমান্ড দিবেন । এটি আপনার এন্ড্রয়েড ফোনেই রয়েছে কোনো এপ ডাউনলোড এর প্রয়োজন নেই । বিভিন্ন এপ কে এভাবে স্টার্ট করা যেতে পারে । আপনি মুখে বলবেন আর স্টার্ট হয়ে যাবে আপনার এপটি, একটিভিটি । নিচে ডেটাইলসে সম্পর্ণভাবে জেনে নিন যেভাবে এই সেটিং টি করবেন ।

      কার্যপ্রণালিঃ


      • আপনার ফোন অন করলেই হোম স্ক্রিন এ দেখতে পারেন গুগল এপ ।
      • সেখানে যান ।
      • হোম বাটন এ লংপ্রেস করে সর্টকাটলিও এটা ওপেন করতে পারেন ।
      • Mic এ ক্লিক করুন অথবা Ok Google বলুন
      • বলুন
      • নিচের অপশন গুলোর সাহায্যে বলুন ওপেন হয়ে যাবেঃ
        • Make A Call → কল করুন
        • Call (Contact Name)
        • Message (Contact Name)
        • Send An Email
        • Email (Contact Name)
        • Turn on BlueTooth
        • Play some music
        • Turn on WiFi
        • Turn on Flashlight
        • Open (App Name)
      এভাবে বললে আপনার কথা মত চলবে আপনার ফোন

      আমাকে খুজুনঃ FaceBook GMail

      কিভাবে যেকোনো দেশ থেকেই ফেসবুকে সিংগেল নাম ব্যাবহার করা যায়

      কিভাবে  যেকোনো দেশ থেকেই ফেসবুকে সিংগেল নাম ব্যাবহার করা যায়
      Hello ,সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি । আশা করি আপনারা ও ভালো আছেন । আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে ফেসবুকে যেকোনো দেশ থেকেই  সিংগেল নাম ব্যাবহার করা যায় 👌👌👌👌।এখন আমাদের মধ্যে সবাই  ফেসবুকে সিংগেল নাম ব্যাবহারে আগ্রহী কিন্তু সফল হতে পারছে না 😞😞😞.
      ।কারন ফেসবুক এই সুবিধা শুধু ইন্দোনেশিয়ানদের দিয়েছে 😒😒, যেহেতু তাদের শেষ নাম থাকে না,,কিন্তু এই ভিডিওটি দেখার মাধ্যমে আপনি মাত্র ২ মিনিটে সিংগেল নাম করতে সক্ষম হবেন বাংলাদেশে ✌✌✌।আর ভিডিওটি ভালো লাগলে অনুগ্রহপূর্বক লাইক,সাবসক্রাইব করবেন 😍😍😍।




      এই রকম আর কি টিউটোরিয়াল প্রত্যাশা করেন তা কমেন্ট করে জানান । আপনারা যদি লেখা পাঠাতে চান তাহলে আমাদের এই ঠিকানায় আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন bdboyabdullah24@gmail.com।

      আজকের টিউটোরিয়াল এখানেই সমাপ্ত । টিউটোরিয়ালটি ভালো লাগলে ফেসবুক ,টুইটার,গুগল প্লাসে মাস্ট শেয়ার করবেন । আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে ফেসবুকে নক দিন

      রমজানে মেডিকেল টিপস

      রমজানে মেডিকেল টিপস
      Hello ,সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি । আশা করি আপনারা ও ভালো আছেন । আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো ... রমজান মাসে রোজা রাখলে আমাদের কি কি করার থাকে ......।
      আমারা সাধারনত  ভোর বেলা খাবার খাই তার পরে সারা দিন না খেয়ে দিন কাটাতে হয় তাই আমাদের উচিদ রোজ়া খোলার পরে বেসি পরিমাণে পনি পান করা । পারলে শরবত করে পানকরা । কিন্তু আমরা অনেকে বাহীরের কেনা জ়ুস পানকরি। সেটা আমাদের পানকরা উচিদ নয়  বাহিরের কেনা জুসে অনেক পরিমানে রাসায়নিক কেমিকেল থাকে যা আমাদের দেহের জন্য অনেক ক্ষতি কর । সেটা  পান করার ফলে আমাদের অনেক রকমের পেটের সমস্যা  থেকে সুরুকরে আমাদের আরও অনেক  disease করতে পারে । আর সেহেরির সময় পারলে কিছু পরিমানে ফল খান (আম, কলা, পেপে,আঙ্গুর , আপেল , মাল্টা ইত্যাদি) যা আপনাকে পরের দিন রোজা রাখতে সাহায্য করবে । আর খাবার পরে এই সব ফল খেলে পানির পিপাসা লাগবে না । আর অবসই সেহেরির খাবার পরে রেস্ট নিন ।    যা আপনাকে পরের দিন শতেজ রাখবে... ।



      এই রকম আর কি টিউটোরিয়াল প্রত্যাশা করেন তা কমেন্ট করে জানান । আপনারা যদি লেখা পাঠাতে চান তাহলে আমাদের এই ঠিকানায় আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন alfesanihridoy1211@gmail.com


      আজকের টিপস এখানেই সমাপ্ত । টিপসটি ভালো লাগলে ফেসবুক ,টুইটার,গুগল প্লাসে মাস্ট শেয়ার করবেন । আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে ফেসবুকে নক দিন   alfesanihridoy1211@gmail.com


      আপনার ইউটিউব ভিডিওর লিংক ফেসবুকে শেয়ার করলে কি থাম্বনাইল ছোট হয়ে যাচ্ছ। তাহলে এই নিন সমাধান...

      আপনার ইউটিউব ভিডিওর লিংক ফেসবুকে শেয়ার করলে কি থাম্বনাইল ছোট হয়ে যাচ্ছ। তাহলে এই নিন সমাধান...
      Hello ,সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি । আশা করি আপনারা ও ভালো আছেন । আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে ফেসবুকে বড় থাম্বনাইলসহ ইউটিউব ভিডিওর লিংক শেয়ার করা যায়। তো চলুন শুরু করা যাক।
      আপনার ইউটিউব ভিডিওর লিংক ফেসবুকে শেয়ার করলে কি থাম্বনাইল ছোট হয়ে যাচ্ছ। তাহলে এই নিন সমাধান...

      প্রথমেই আপনাদের একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। ওয়েবসাইটটি ভিজিট করতে এখানে ক্লিক করুন। এবার সম্পূর্ণ ওয়েবপেজটি লোড না হওয়া পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করুন। তারপর যখন সম্পূর্ণ ওয়েবপেজটি লোড হয়ে যাবে তখন দেখুন সেখানে "Your Link" নামে একটি অপশন আছে। সেখানে আপনি আপনার ইউটিউব ভিডিওর লিংকটি কপি করে পেস্ট করুন। এরপর দেখবেন অটোমেটিকলি বাকি অপশনগুলো পূরণ হয়ে গেছে। তবে আপনি যদি চান তাহলে এই অপশনগুলোকেও আপনি এডিট করতে পারবেন। আমি আপনাদের সাথে এখন এগুলো নিয়ে আলোচনা করব।

      Your Link: এখানে আপনি আপনার ইউটিউব ভিডিওর লিংকটি কপি করে পেস্ট করুন।
      Title: এখানে সাধারণত অটোমেটিকলি আপনার ইউটিউব ভিডিওর টাইটেল চলে আসবে। তবে আপনি চাইলে এটি এডিট করে নতুন টাইটেল দিতে পারবেন।
      Description: এখানে সাধারণত অটোমেটিকলি আপনার ভিডিওর বর্ণনা দেখাবে। কিন্তু আপনি চাইলে আগের মতো এখানেও আপনি আপনার ভিডিওর বর্ণনা পরিবর্তন করতে পারবেন।
      Bottom Text: আপনারা সাধারনত লক্ষ করে থাকবেন যে ফেসবুকে যখন কেউ কোনো বড় থাম্বনাইলসহ কোনো ভিডিও পোস্ট করে তখন তার নিচে ছোট্ট করে একটা লেখা থাকে। তো এখান থেকে আপনি সেই লেখাটাই কি হবে সেটাই সিলেক্ট করে দিবেন। তবে হ্যা এখানে আপনি আপনার ইচ্ছামতো লেখা দিতে পারবেন না। এখানে আপনি সর্বোচ্চ গেলে ইউটিউব লেখাটি শো করাতে পারবেন।
      Picture: এখানেও সাধারণত ইউটিউবে আপনার ভিডিওর যে থাম্বনাইল দেওয়া থাকে সেটাই শো করে। কিন্তু আপনি চাইলে ব্রাউজ করে অন্য কোনো ছবিও এখানে দিয়ে দিতে পারেন।
      Play Button: এখানে আপনি যদি চান আপনার ভিডিও মানুষ ইউটিউবে এসে দেখবে তাহলে "No play button" লেখায় ক্লিক করবেন। আর যদি চান যে আপনার ভিডিও মানুষ ফেসবুক থেকেই দেখতে পারবে তাহলে ""-তে ক্লিক করবেন। 
      Your Link: এখানে আপনি আপনার ইউটিউব ভিডিওর লিংকটি কপি করে পেস্ট করুন। Title: এখানে সাধারণত অটোমেটিকলি আপনার ইউটিউব ভিডিওর টাইটেল চলে আসবে। তবে আপনি চাইলে এটি এডিট করে নতুন টাইটেল দিতে পারবেন।  Description: এখানে সাধারণত অটোমেটিকলি আপনার ভিডিওর বর্ণনা দেখাবে। কিন্তু আপনি চাইলে আগের মতো এখানেও আপনি আপনার ভিডিওর বর্ণনা পরিবর্তন করতে পারবেন।  Bottom Text: আপনারা সাধারনত লক্ষ করে থাকবেন যে ফেসবুকে যখন কেউ কোনো বড় থাম্বনাইলসহ কোনো ভিডিও পোস্ট করে তখন তার নিচে ছোট্ট করে একটা লেখা থাকে। তো এখান থেকে আপনি সেই লেখাটাই কি হবে সেটাই সিলেক্ট করে দিবেন। তবে হ্যা এখানে আপনি আপনার ইচ্ছামতো লেখা দিতে পারবেন না। এখানে আপনি সর্বোচ্চ গেলে ইউটিউব লেখাটি শো করাতে পারবেন। Picture: এখানেও সাধারণত ইউটিউবে আপনার ভিডিওর যে থাম্বনাইল দেওয়া থাকে সেটাই শো করে। কিন্তু আপনি চাইলে ব্রাউজ করে অন্য কোনো ছবিও এখানে দিয়ে দিতে পারেন।  Play Button: এখানে আপনি যদি চান আপনার ভিডিও মানুষ ইউটিউবে এসে দেখবে তাহলে "No play button" লেখায় ক্লিক করবেন। আর যদি চান যে আপনার ভিডিও মানুষ ফেসবুক থেকেই দেখতে পারবে তাহলে "Play Video Inside Facebook"-তে ক্লিক করবেন।

      এই হলো মূলত কাজ। আর কোনো কাজ নেই। এরপর আপনি সাবমিট লেখায় ক্লিক করলে একটি পপ-আপ উইন্ডো ওপেন হবে। তারপর সেখান থেকে আপনি এই ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করে দিবেন। আশা করি, এই কাজটি সবাই করতে পারবেন তাই আর এই বিষয়ে কিছু লিখলাম না। 

      এই রকম আর কি টিউটোরিয়াল প্রত্যাশা করেন তা কমেন্ট করে জানান । আপনারা যদি লেখা পাঠাতে চান তাহলে আমাদের এই ঠিকানায় আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন bdboyabdullah24@gmail.com

      নিচের টিউটোরিয়াল গুলো লক্ষ্য করুন কাজে লাগতে পারেঃ
      আজকের টিউটোরিয়াল এখানেই সমাপ্ত । টিউটোরিয়ালটি ভালো লাগলে ফেসবুক ,টুইটার,গুগল প্লাসে মাস্ট শেয়ার করবেন । আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে ফেসবুকে নক দিন

      ফটোশপ ছাড়া যেভাবে যেকোনো ছবিকে রিসাইজ করবেন

       ফটোশপ ছাড়া যেভাবে যেকোনো ছবিকে রিসাইজ করবেন
      Hello ,সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি । আশা করি আপনারা ও ভালো আছেন । আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে আমরা ফটোশপ ব্যবহার করা ছাড়াই আমরা যেকোন ছবি কে রিসাইজ করব।
      ফটোশপ ছাড়া যেভাবে যেকোনো ছবিকে রিসাইজ করবেন

      আজকাল আমাদের মধ্যে অনেকেই ইউটিউব চ্যানেল চালান বা অনেকেই ফেসবুকে বিভিন্ন পাজ চালান। তো সেসব চ্যানেল বা পেজের প্রোফাইল পিকচার বা কভার ফটো আপলোড করতে গেলে অনেক সময়ই একটি ম্যাসেজ শো করার মাধ্যমে আমাদের বলা হয় যে এই ছবিটির দৈর্ঘ্য এত পিক্সেল এবং প্রস্থ এত পিক্সেল করুন অথবা অনেক সময় আমাদের ছবিটি রিসাইজ করার একটি অপশন দেখিয়ে দেওয়া হয়। তো তখন আমাদের অনেকের মাথা চুলকাতে চুলকাতে ছবিটাকে কোনো রকমে রিসাইজ করে তারপর আপলোড করতে হয়। এতে যেমন ছবিটার সৌন্দর্য্য নষ্ট হয় ঠিক তেমনি আমাদেরও অনেক মন খারাপ। কারণ ছবিটা তাহলে আর আগের মতো ভালো দেখা যায় না। আমাদের মধ্যে আবার অনেকেই আছেন যারা এই ছবি রিসাইজ করার কাজটা ফটোশপে বেশ ভালোভাবেই করতে পারেন। ফলে তাদের জন্য এটি কোনো সমস্যাই না। কিন্তু আমরা যারা ফটোশপ ব্যবহার করতে পারি না বা জানি না, তাদের জন্য কাজটা কিন্তু বেশ কঠিক হয়ে দাঁড়ায়। তাছাড়া অনেকের কম্পিউটারে ফটোশপ থাকেও না। তাই আজকে আমি যেই উপায়ে ছবি রিসাইজ করা দেখাব সেটি বেশ সহজ এবং এটি সাধারণত সকল উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর কম্পিউটারেই এই অ্যাপ্লিকেশনটি থাকে। তাই চলুন আর কথা না বাড়িয়ে কাজে নেমে পড়া যাক...

      অনেকেই হয়তবা ইতিমধ্যেই ধরে ফেলেছেন যে আমি আসলে কি ব্যবহার করে কাজটি করব। হ্যা আসলে আমি "Paint" ব্যবহার করে এই কাজটি করব। তো আমি আশা করি আমরা সবাই "Paint" প্রোগ্রাম চালু করতে পারব। তাই আমি আর এই বিষয়টা নিয়ে খুব একটা বেশি কথা বললাম না। তবে আপনি চাইলে দুইভাবে কাজটি করতে পারেন। আমি আপনাদের দুইভাবেই দেখাব। চিন্তার কোনো কারণ নাই।

      প্রথমেই আপনি যেই ইমেজটা রিসাইজ করতে চান সেই ইমেজটার উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন। তারপর "Open With" অপশন থেকে "Paint" সিলেক্ট করে দিন। তাহলে ইমেজটা "Paint" এ ওপেন হবে।
      আপনি যেই ইমেজটা রিসাইজ করতে চান সেই ইমেজটার উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন। তারপর "Open With" অপশন থেকে "Paint" সিলেক্ট করে দিন। তাহলে ইমেজটা "Paint" এ ওপেন হবে।

      অথবা আপনি চাইলে সরাসরি "Paint" ওপেন করে তারপর "File" মেনু থেকে "Open" এ যাবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রাউজ করে আপনার ইমেজটা যেই ফোল্ডারে আছে সেই ফোল্ডারে গিয়ে ইমেজটা সিলেক্ট করে ওপেন করুন।
      সরাসরি "Paint" ওপেন করে তারপর "File" মেনু থেকে "Open" এ যাবেন। তারপর সেখান থেকে ব্রাউজ করে আপনার ইমেজটা যেই ফোল্ডারে আছে সেই ফোল্ডারে গিয়ে ইমেজটা সিলেক্ট করে ওপেন করুন।

      এরপর আপনার ইমেজটা রিসাইজ করার পালা। ইমেজটা সম্পূর্ণটা লোড হলে আপনি উপরের মেনুবারে "Resize" নামক একটা অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
      ইমেজটা সম্পূর্ণটা লোড হলে আপনি উপরের মেনুবারে "Resize" নামক একটা অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।

      এরপর সেখান থেক আপনি "Pixels" সিলেক্ট করুন। সাধারণত বেশিরভাগ ওয়েবসাইটে আপনাকে এই এককেই ইমেজের সাইজ বলে দিবে। তাই আমি এই এককেই আপনাদের দেখাচ্ছি। তো ইমেজের পিক্সেল দেওয়ার আগে খেয়াল করে দেখবে নিচে একটা টিক চিহ্ন রয়েছে। সেটি তুলে দিবেন। তারপর যেই পিক্সেল অনুযায়ী আপনার কাছে ইমেজ চাওয়া হয়েছে সেটি বসিয়ে দিয়ে "OK' তে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার ইমেজ রিসাইজ করা হয়ে গেছে।
      সেখান থেক আপনি "Pixels" সিলেক্ট করুন। সাধারণত বেশিরভাগ ওয়েবসাইটে আপনাকে এই এককেই ইমেজের সাইজ বলে দিবে। তাই আমি এই এককেই আপনাদের দেখাচ্ছি। তো ইমেজের পিক্সেল দেওয়ার আগে খেয়াল করে দেখবে নিচে একটা টিক চিহ্ন রয়েছে। সেটি তুলে দিবেন। তারপর যেই পিক্সেল অনুযায়ী আপনার কাছে ইমেজ চাওয়া হয়েছে সেটি বসিয়ে দিয়ে "OK' তে ক্লিক করুন।
       
      ব্যস্‌, আপনার কাজ শেষ। আশা করি, এখন থেকে ইমেজ রিসাইজ করতে আপনাদের আর কোনো সমস্যা হবে না।

      এই রকম আর কি টিউটোরিয়াল প্রত্যাশা করেন তা কমেন্ট করে জানান । আপনারা যদি লেখা পাঠাতে চান তাহলে আমাদের এই ঠিকানায় আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন bdboyabdullah24@gmail.com

      নিচের টিউটোরিয়াল গুলো লক্ষ্য করুন কাজে লাগতে পারেঃ


          আজকের টিউটোরিয়াল এখানেই সমাপ্ত । টিউটোরিয়ালটি ভালো লাগলে ফেসবুক ,টুইটার,গুগল প্লাসে মাস্ট শেয়ার করবেন । আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে ফেসবুকে নক দিন

          কিভাবে বুঝবেন কে কে আপনার ওয়াইফাই ব্যবহার করছে ( এন্ড্রয়েড )

          কিভাবে বুঝবেন কে কে আপনার ওয়াইফাই  ব্যবহার করছে ( এন্ড্রয়েড )
          Hello ,সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি । আশা করি আপনারা ও ভালো আছেন । আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো এন্ড্রয়েডের একটি ট্রিক্স নিয়ে সেটি হচ্ছে  আপনি কিভাবে বুঝবেন কে কে আপনার ওয়াইফাই  ব্যবহার করছে আপনার অনুমতি ছাড়া । ভিডিওটি দেখুন আশা করি বুঝতে পারবেন ।





          এই রকম আর কি টিউটোরিয়াল প্রত্যাশা করেন তা কমেন্ট করে জানান । আপনারা যদি লেখা পাঠাতে চান তাহলে আমাদের এই ঠিকানায় আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন bdboyabdullah24@gmail.com

          নিচের টিউটোরিয়াল গুলো লক্ষ্য করুন কাজে লাগতে পারেঃ


              আজকের টিউটোরিয়াল এখানেই সমাপ্ত । টিউটোরিয়ালটি ভালো লাগলে ফেসবুক ,টুইটার,গুগল প্লাসে মাস্ট শেয়ার করবেন । আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে ফেসবুকে নক দিন

              যেভাবে উইন্ডোজ 10 এর অটোমেটিক আপডেট বন্ধ করবেন

              যেভাবে উইন্ডোজ 10 এর অটোমেটিক আপডেট বন্ধ করবেন
              Hello ,সবাই কেমন আছেন? আমি ভালো আছি । আশা করি আপনারা ও ভালো আছেন । আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো তা হলো কিভাবে আপনি আপনার কম্পিউটারের উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের অটোমেটিক আপডেট বন্ধ করবেন?
              যেভাবে উইন্ডোজ 10 এর অটোমেটিক আপডেট বন্ধ করবেন
              সত্যিকার অর্থে এখন বাংলাদেশের অনেক মানুষই উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে। কারণ এটি ব্যবহার করে এক ধরনের আনন্দ আছে। তাছাড়া এর ডিজাইনটিও বেশ চমকপ্রদ। তাছাড়া এর এন্টিভাইরাস এবং ফায়ারওয়াল ও অত্যন্ত ভালো; যা কিছুদিন আগে র‍্যানারসাম ভাইরাস প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে। মানে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে এই ভাইরাসটি অ্যাটাক করেছে, এরকমটা শোনা যায় নি। তাছাড়া আরো অন্যান্য অনেক ফিচার্সের জন্যই উইন্ডোজ ১০ এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তো যাই হোক, এতো কিছু সুযোগ-সুবিধার পরেও উইন্ডোজ ১০ এর কিছু অসুবিধাও আছে। উইন্ডোজ ১০ যখন প্রথম মার্কেটে আসে, তখন এটি সবার জন্য ফ্রি থাকলেও এখন এটির অরিজিনাল ভার্সনটি এখন বাৎসরিক ২৪ হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের মতো সাধারণ ব্যবহারকারীরা সাধারণত এতো টাকা গুনি না। আমরা আমাদের বাসার পাশের দোকান থেকে মাত্র ৫০ টাকা এর সিডি কিনে ব্যবহার করি, যেই সিডিটি মূলত পাইরেসি করা থাকে। কিন্তু মাইক্রোসফট কোম্পানী তাদের এই নতুন প্রোডাক্টের মধ্যে এমন কিছু কাজ করে রেখেছে যে আমরা চাইলেও পুরোপুরি এর কর্তৃত্ব নিতে পারবো না। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো এর অটোমেটিক আপডেট সিস্টেম। উইন্ডোজ এর আগের ভার্সনগুলোতে চাইলেই বেশ সহজে এই অটোমেটিক আপডেট সিস্টেমটি বন্ধ করে রাখা যেত কিন্তু উইন্ডোজ ১০ এ এটি আগের মতো আর এতো সহজে বন্ধ করে রাখা যায় না। তো কিভাবে আপনারা উইন্ডোজ ১০ এর এই অটোমেটিক আপডেট সিস্টেমটি বন্ধ করবেন, আজকে আমি মূলত সেটী নিয়েই আলোচনা করব।

              তো মূল পর্বে যাবার আগে আমি একটু আলোচনা করতে চাই এই বিষয়ে যে আপনি কেন এই অটোমেটিক আপডেট সিস্টেমটি বন্ধ করবেন? কারণ আপনারা ভাবতে পারেন যে, অটোমেটিক আপডেট যদি বন্ধ করে রাখি তাহলে তো আপনারই সমস্যা? আপনি উইন্ডোজ এর আপডেট যদি কোনো ভার্সন আসে, আপনি সেটী ব্যবহার করতে পারবেন না। না, আসলে বিষয়টি সেটা না। আসলে আপনার কথা ঠিক আছে। কিন্তু আপনাকে এটিও মাথাইয় রাখতে হবে যে আপনি উইন্ডোজ এর অরিজিনাল সিডি ব্যবহার করছেন না যেটির দাম বাৎসরিক ২৪০০০ টাকা। আপনি ব্যবহার করছেন একটি পাইরেসি করা সিডি যার মূল্য মাত্র ৫০ টাকা। যেটি দিয়ে উইন্ডোজ ব্যবহার করতে একটি একটিভেটরের প্রয়োজন পড়ে। এখন যদি উইন্ডোজ এর কোনো নতুন ভার্সন আসে, আর সেই ভার্সনটি যদি অটোমেটিক আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল হয়ে যায়, তাহলে আপনি  বেশিদিন সেটি ব্যবহার করতে পারবেন না। কারণ তখন আপনি সেটির ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করছেন। যেটির একটিভেটর আপনার কাছে নেই । ফলে সেটির ট্রায়ালের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মাইক্রোসফট আপনার কাছে একটি এরকম ম্যাসেজ দিবে যে আপনার ট্রায়াল ভার্সনের মেয়াদ শেষ এখন আপনাকে অরিজিনাল ভার্সন ২৪০০০ টাকা দিয়ে কিনতে হবে। তখন যদি আপনি আপনার কম্পিউটারে অন্য কোনো উইন্ডোজ ইন্সটল দেনও তারপরেও আপনি কিন্তু আপনার ডাটা ফেরত পাবেন না। তাই সবচেয়ে ভালো বুদ্ধি এই অটোমেটিক আপডেট সিস্টেমটি বন্ধ করে রাখা। তাহলে আপনি থাকবেন রিস্ক মুক্ত।

              তো চলুন দেখে নিই কিভাবে আপনি এটি করবেন...

              ১। প্রথমেই "My Computer"-এর আইকনে রাইট বাটন ক্লিক করুন । সেখান থেকে "Manage"-এ ক্লিক করুন।
              প্রথমেই "My Computer"-এর আইকনে রাইট বাটন ক্লিক করুন । সেখান থেকে "Manage"-এ ক্লিক করুন।

              আপনি চাইলে "Run" কমান্ড থেকে যেতে পারেন। সেজন্য আপনাকে প্রথমে "Run" কমান্ডে যেতে হবে। তারপর সেখানে লিখুন "service.msc" লিখে এন্টার চাপলেই হবে। সেক্ষেত্রে আপনাকে এখানে ২ ও ৩ নং ধাপটি অনুসরণ করতে হবে না। 
              প্রথমে "Run" কমান্ডে যেতে হবে। তারপর সেখানে লিখুন "service.msc" লিখে এন্টার চাপলেই হবে।


              ২। এরপর আপনি সেখানে "Services & Applications" নামে একটি অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
              এরপর আপনি সেখানে "Services & Applications" নামে একটি অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।

              ৩। সেখানে ক্লিক করার পর আপনি সেখানে ডানদিকে "Services" নামে একটি অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
              সেখানে ক্লিক করার পর আপনি সেখানে ডানদিকে "Services" নামে একটি অপশন পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।

              ৪। এরপর এরপর আপনি স্ক্রলিং করে নিচে নামুন। দেখবেন "Windows Update" নামে সেখানে একটি অপশন রয়েছে। সেখানে ক্লিক করুন।
              এরপর এরপর আপনি স্ক্রলিং করে নিচে নামুন। দেখবেন "Windows Update" নামে সেখানে একটি অপশন রয়েছে। সেখানে ক্লিক করুন।


              ৫। এরপর দেখবেন একটি ড্রপ-ডাউন মেনু রয়েছে। সেখানে ক্রলিং করে "Disable" এ ক্লিক করুন। এরপর "Apply"-এ ক্লিক করে "OK" দিয়ে দিন। ব্যস্‌, আপনার কাজ শেষ।
              এরপর দেখবেন একটি ড্রপ-ডাউন মেনু রয়েছে। সেখানে ক্রলিং করে "Disable" এ ক্লিক করুন। এরপর "Apply"-এ ক্লিক করে "OK" দিয়ে দিন।

              এই রকম আর কি টিউটোরিয়াল প্রত্যাশা করেন তা কমেন্ট করে জানান । আপনারা যদি লেখা পাঠাতে চান তাহলে আমাদের এই ঠিকানায় আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন bdboyabdullah24@gmail.com

              নিচের টিউটোরিয়াল গুলো লক্ষ্য করুন কাজে লাগতে পারেঃ

              আজকের টিউটোরিয়াল এখানেই সমাপ্ত । টিউটোরিয়ালটি ভালো লাগলে ফেসবুক ,টুইটার,গুগল প্লাসে মাস্ট শেয়ার করবেন । আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে ফেসবুকে নক দিন

              একদিনে শিখেনিন কিভাবে সম্পূর্ন ফ্রিতে একটি ব্লগসাইট তৈরি করবেন কোন প্রকার হোস্টিং খরচ ছাড়া

              একদিনে শিখেনিন কিভাবে সম্পূর্ন ফ্রিতে একটি ব্লগসাইট তৈরি করবেন কোন প্রকার হোস্টিং খরচ ছাড়া
              সবাই কেমন আছেন।আশা করি এই রমজান মাসে সবাই ভালো আছেন।বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়াই ইদানিং অনলাইনে সময় তেমন দিতে পারি না।আজকে অনেক কষ্ট করে সময় এর করে লিখতে বসলাম।আজকের টিউটোরিয়াল টা সবচেয়ে তাদের বেশি ভালো হবে যারা এখনো কোন ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন নাই।আজকে আপনার সবচেয়ে সহজে কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় তা আমি শিখাবো এই টিউটোরিয়ালে।

              আজকের টিউটোরিয়া টা যদি মন দিয়ে কাজে লাগান তাহলে আপনার অনেক উপকারে আসবে।কারন এই টিউটরিয়াল যদি ফলোও করেন তাহলে ওয়েবসাইট তৈরি করতে আপনার আর কোন টাকা লাগছে না সম্পূর্ন ফ্রিতে পারবেন ওয়েবসাইট তৈরি করতে।
              আচ্ছা আপনারা যেই ওয়েবসাইট করবেন তার ডেমো দেখবেন না।এই দেখেন ডেমো

              আমি এক screenshot দুই ডিভাইসের ফোটো দিলাম।কারন এই ওয়েবসাইট টার মাধ্যমে আপনি মোবাইলে একরকম দেখবেন এবং কম্পিউটারে আরেক রকম দেখবেন, কেননা এটা responsible design ওয়েবসাইট।
              আর যদি ব্রাউজ করে ডেমো দেখতে চান তাহলে এই লিংকে দেখুন Demo Link

              কি কি সুবিধা পাবেন এই ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে

              • উপরে আমি বলেছি যে কোন টাকার খরচ লাগবে না .কারন এর ডোমাইন এবং হোস্টিং প্যানেল  একদম ফ্রি।কেননা google নিযে এই হোস্টিং প্রোভাইড করবে।
              • এটা একটা Responsible Design Website তাই সব ডিভাসের জন্য আলাদা আলাদা ডিজাইন হবে  যেমন মোবাইল দিয়ে গেলে এক ধরনের ডিজাইন এবং কম্পিউটার দিয়ে ব্রাউজ করলে আরেক ধরনের ডিজাইন হবে।
              • এই ওয়েবসাইট তৈরি করতে কোন প্রকার কোডিং এক্সপার্ট হতে হবে না।আপনি নতুন হলেও  চলবে।
              • ওয়েবসাইট টা হবে সম্পূর্ণ প্রোপোশনালদের মত।
              • এর ডিজাইন টা অনেক সুন্দর তাই আপনার পছন্দ হবে।
              • সহজে এটা মেইনটেইন করতে পারবেন।
              • এটা একটা ব্লগার সাইট তাই এই সাইট ব্যবহার করে নিজের নামের টাইটেলে ব্লগার ব্যবহার করতে পারবেন।
              • আপনি ইংরেজি কন্টেন্ট ব্যবহার করে এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।
              • ব্লগার সাইট সাধারনত google adsense responsible হয় তাই সহজে গুগল আডসেন্স ব্যবহার এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

              কিভাবে এই ওয়েবসাইট তৈরি করবেন

              সবাই যাতে সহজে বুঝে তাই এর উপর আমি একটি ভিডিও তৈরি করেছি।আপনি এই ভিডি দেখলে আর ওয়েবসাইট তৈরি করতে কোন সমস্যা হবে না।কারন এই ভিডিওটি আমি অনেক সময় নিয়ে এবং সহজ করে করেছি যাতে নতুন যারা তাদের বুঝতে কোন অসুবিধা না হয়।তো কথা না বলে ভিডিও টি দেখুন


              https://www.youtube.com/watch?v=jMZpGYz0RRk


              এরকম আরও সুপার টিপস পেতে আমার  YouTube Channel টি সাবস্ক্রাইব করুন এবং টেকটিউনস এর সাথেই থাকুন ভালো কিছু পেতে। মেতে উঠুন প্রযুক্তির সুরে।

              Apk অভ্যন্তরীণ xml ফাইল দেখবেন যেভাবে

              Apk অভ্যন্তরীণ xml ফাইল দেখবেন যেভাবে


              Apk ফাইল এর অভ্যন্তরীণ xml ফাইল গুলো দেখবেন যেভাবে


              প্রাথমিকঃ



              এই টিউন টি হলো এ সম্পর্কে যে কিভাবে এন্ড্রয়েড প্যাকেজ এর অভ্যন্তরীণ xml ফাইল গুলো এনকোডিং UTF-8 আকারে দেখতে পারবেন । কিন্তু তা এডিট করতে পারবেন না । কেননা এগুলো Read Only আকারে থাকে । এতে করে যে কোনো এপ এর Android Menifest দেখতে পারবেন তাছাড়া রিসোর্স ডিজাইন গুলো দেখতে পারবেন । তাছাড়া আপনি যে শুধু এক্সেমেল ফাইল দেখতে পারবেন সে কথা নয় এই এপ টির সাহায্য সহযোগিতায় আপনি সহজে HTML বা XML তৈরি করতে পারবেন । চিত্র সহ টিউটোরিয়াল টি শিখুন।

              কার্যধারাঃ প্রধান →


              Play Store থেকে Axel(xml viewer/editor) লিখে সার্চ করুন। তারপর তা ডাউনলোড করুন । এটি এপ এর ভিতরের xml ফাইল গুলো পড়ার অনুমতি দেয় যা স্বাভাবিক অক্ষর এ লিখা হয়না বরং বাইনারি কোড এ লিখা হয়ে থাকে যাকে স্বাভাবিক ভাষায় কম্পিউটার এর ভাষা বলা হয় ।

              কার্যধারা ১ঃ


              যেভাবে Application/xml ফাইল গুলো দেখবেন →
              xml ফাইল টির উপর ক্লিক করুন Default গুলোর মধ্য থেকে Exel সিলেক্ট করুন । এখন আপনি ফাইল টি এনকোডিং UTF-8 আকারে অর্থাৎ স্বাভাবিক ভাবে দেখতে পাবেন ।


              কার্যধারা ২ঃ


              যেভাবে সহজে HTML এডিট করবেন →
              App Drawer থেকে exel এ প্রবেশ করুন ।
              অতঃপর Document লিখা জায়গায় লঙ প্রেস করে রাখুন সেখান থেকে Element এ ক্লিক করুন ।
              আপনার Element লিখুন ।
              ওই এলিমেন্ট এ ক্লিক করুন ।
              নিচের দিখে তাকান ।
              + লেখা বাটন টিতে ক্লিক করুন Attrbute (size = 8px) লিখুন ।
              Save এ ক্লিক করুন ।
              মেনু থেকে Preview এ যান । এখন আপনি সব কিছু শিখে গেছেন তবু সমস্যা মানবের স্বাভাবিক প্রকৃতি হিসেবে আপনার সমস্যা, অভিযোগ, সহায়তা কমেন্ট করে জানান ।